| ১০০১ | কুটুম্বের মধ্যে শালা, গহনার মধ্যে বালা। |
| ১০০২ | কুঠে মুরগীর ঠোঁটে বল |
| ১০০৩ | কত জনে কত কতা কত মন্তে কয় বুড়ো বেইট্যে নিজের কতা মনে ধুনি লয়। |
| ১০০৪ | কত জলে কত মুসুরি ভেজে দ্যাখ |
| ১০০৫ | কত ধানে কত চাল |
| ১০০৬ | কত ধানে কত চাল (জান না ?) কোন কাজের হিসাব রাখ না । কত শত গেল রথী, শেওড়াতলার চক্রবর্তী । |
| ১০০৭ | কত ব্রত করলি যশী, বাকি ভূমি- একাদশী |
| ১০০৮ | কত রঙ্গ দেখালি মাসি ! |
| ১০০৯ | কত রাঘব বোয়াল পড়ে রইলো—চুনো পুঁটি নিয়ে টানাটানি পরেছে. |
| ১০১০ | কত রবি জ্বলে রে, কেবা আঁখি মেলে রে |
| ১০১১ | কত সাধ ছিল রে চিতে, মলের আগে চুটকি দিতে |
| ১০১২ | কত সাধ যায় রে চিতে, বেগুন গাছে আঁকশি দিতে |
| ১০১৩ | কতই বা দেখব আর, ছুঁচোর গলায় রত্নহার |
| ১০১৪ | কতই সাধ হয় রে চিতে, ফোকলা দাঁতে মিশি দিতে |
| ১০১৫ | কতক্ষণ রহে শিলা শূন্যেতে মারিলে ? |
| ১০১৬ | কতা কয়লে কতা বাজে, হাল বায়লে গ্যাঁড়া বাজে"; |
| ১০১৭ | কুত্তা হাগে না খিদের ডরে । |
| ১০১৮ | কুত্তার কামড় হিঁটুর নিচে। |
| ১০১৯ | কুত্তার খাইয়া কাম নাই, দৌড় ছাড়া হাঁটা নাই। |
| ১০২০ | কুত্তার ল্যাজত পাটা ব্যান্দ্যা দিলেও সোজা হয় না। |
| ১০২১ | কুত্তারে যতই তোলা দাও, ও যাবে ঠিক গু খেতে । |
| ১০২২ | কুত্তায়ে শোঙ্গে না, জজের উকিল। |
| ১০২৩ | কথা টলার চেয়ে পা টলা ভাল |
| ১০২৪ | কথা পাড়া |
| ১০২৫ | কথা বেচে খাওয়া |
| ১০২৬ | কথা শোনানো |
| ১০২৭ | কথা শুনে পেটের ভাত চাল হয়ে যায় |
| ১০২৮ | কথা শুনে হরিভক্তি উড়ে গেল |
| ১০২৯ | কথার কথা, কাজের নয় |
| ১০৩০ | কথার গুনে বার্তা নষ্ট |
| ১০৩১ | কথার চেয়ে কাজের গলা দরাজ। |
| ১০৩২ | কথার দোষে কার্য নষ্ট, ভিক্ষায় নষ্ট মান । গিন্নির দিসে গৃহ নষ্ট লক্ষ্মী ছেড়ে যান । |
| ১০৩৩ | কথার নেই মাথা, গরমে গায়ে কাঁথা |
| ১০৩৪ | কথার হাত পা বের করা |
| ১০৩৫ | কথায় কথা বাড়ে, ক্রোধে হয় ঝড়, কথা না বাড়িয়ে সখি যাও এবে ঘর |
| ১০৩৬ | কথায় কথা বাড়ে, খেলে বাড়ে মেদ |
| ১০৩৭ | কথায় কথায় জেঠু সাজা |
| ১০৩৮ | কথায় চিঁড়ে ভেজে না |
| ১০৩৯ | কুঁদের মুখে বাঁক থাকে না |
| ১০৪০ | কদম গাছের কানাই |
| ১০৪১ | কনের ঘরের মাসি, বরের ঘরের পিসি |
| ১০৪২ | কনের মা কান্দে আর টাকার পুঁটুলি বান্দে |
| ১০৪৩ | কুনো ব্যাঙ |
| ১০৪৪ | কপাল করিছি দুখতা, প্যাট করিছি সুখতা। |
| ১০৪৫ | কপাল গুনে গোপাল ঠাকুর |
| ১০৪৬ | কপাল চাপড়ান |
| ১০৪৭ | কপাল ছাড়া পথ নাই |
| ১০৪৮ | কপাল জোরে বাঁচা |
| ১০৪৯ | কপাল যদি হীনত পড়ে, চামচিকাও ধ্যর্যা ড্যাব্যাই। |
| ১০৫০ | কপাল ঠুকে কাজে নামা |
| ১০৫১ | কপাল থুয়ে পাছায় চন্দন |
| ১০৫২ | কপাল ভাঙলে জোড়া লাগে না। |
| ১০৫৩ | কপাল সঙ্গে সঙ্গে যায় |
| ১০৫৪ | কপালে আছে হাড়, কী করবে চাচা সাকিদার? |
| ১০৫৫ | কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়া |
| ১০৫৬ | কপালে টিপ সবাই পরে, কপাল গুণে চিকচিক করে |
| ১০৫৭ | কপালে যদি থাকে ঘি, না খেয়ে করব কি? |
| ১০৫৮ | কপালে যদি না থাকে ঘি, ঠকঠকিয়ে করব কি? |
| ১০৫৯ | কপালে নাইকো ঘি, ঠকঠকালে হবে কি ? |
| ১০৬০ | কপালের এমনি ফের, যাব বিয়ে করতে কাটি শঙ্কর ঘোষের বেড় । |
| ১০৬১ | কপালের ভাঁজ বাড়ানো |
| ১০৬২ | কপালের লিখন না যায় খন্ডন |
| ১০৬৩ | কপট প্রেমে লুকোচুরি, মুখে মধু প্রাণে ছুরি |
| ১০৬৪ | কৃপণের ধন বর্বরে খায়, কৃপণ করে হায় হায় |
| ১০৬৫ | কুপুত্র যদ্যপি হয়, কুমাতা কক্ষনো নয় । |
| ১০৬৬ | কূপমণ্ডূক |
| ১০৬৭ | কফিনে শেষ পেরেক পোঁতা |
| ১০৬৮ | কুবেরের ধন |
| ১০৬৯ | কুব্জার মন্ত্রণা |
| ১০৭০ | কবর থেকে ওঠা |
| ১০৭১ | কমোডে বসে কলকাতা বুঝে নেওয়া |
| ১০৭২ | কম্বলের লোম বাছতে গাঁ উজাড় |
| ১০৭৩ | কম্বলের লোম বাছলে থাকে কি? |
| ১০৭৪ | কুম্ভকর্ণের নিদ্রা |
| ১০৭৫ | কুম্ভকর্ণের নিদ্রাভঙ্গ |
| ১০৭৬ | কর গোবিন্দ বাপের শ্রাদ্ধ, আরও বামুন আছে |
| ১০৭৭ | কর যদি তাড়াতাড়ি, ভুলের হবে বাড়াবাড়ি |
| ১০৭৮ | করে না মাই মলে সারা রাত কুয়ারা করে। |
| ১০৭৯ | করছে কিসের জাঁক, ময়না টিয়ে উড়িয়ে দিয়ে খাঁচায় পোষে কাক । |
| ১০৮০ | কর্জ করে যেই কষ্ট পায় সেই |
| ১০৮১ | কর্তা যে ঘি খান তা এক আঁচড়েই মালুম । |
| ১০৮২ | কর্তার ইচ্ছায় কর্ম, উলু বনে কীর্তন |
| ১০৮৩ | কর্তার পাদের গন্ধ নাই। |
| ১০৮৪ | করলে যত্ন মেলে রত্ন |
| ১০৮৫ | কূল কিনারা |
| ১০৮৬ | কলকাঠি নাড়ানো |
| ১০৮৭ | কলকে পাওয়া |
| ১০৮৮ | কলা খাওয়া |
| ১০৮৯ | কলা দেখানো |
| ১০৯০ | কলা পোড়া খাওয়া |
| ১০৯১ | কলা বউ |
| ১০৯২ | কলা রুয়ে না কেট পাত/ তাতেই কাপড়, তাতে ভাত। |
| ১০৯৩ | কলাপাতা, কাঠের আঁটি এই নিয়ে বৈদ্যবাটি |
| ১০৯৪ | কলাপোড়া খাও |
| ১০৯৫ | কলার ভেলায় সাগর পার |
| ১০৯৬ | কলায় দলা, হলুদে ছাই, বউরে সেবিলে, পুতেরে পাই । |
| ১০৯৭ | কলি কাল |
| ১০৯৮ | কলিকাল, ছাগলে চাটে বাঘের গাল। |
| ১০৯৯ | কলির বউ ঘরভাঙানি |
| ১১০০ | কুলীনের লক্ষণ (সদাচার, বিনয়, বিদ্যা, খ্যাতি, তীর্থদর্শন, শাস্ত্রানুমোদিত ধর্মে আসক্তি, বেদাধ্যয়ণ, তপস্যা এবং দান ) |
| ১১০১ | কুলে কালি দেওয়া |
| ১১০২ | কুলের কালিও ভাল। |
| ১১০৩ | কলের পুতুল |
| ১১০৪ | কুলের বার হওয়া |
| ১১০৫ | কলের মানুষ |
| ১১০৬ | কলজের জোর |
| ১১০৭ | কলমে কায়স্থ চিনি গোঁপেতে রাজপুত । চিকিৎসক চিনতে পারি যার ওষুধ মজবুত |
| ১১০৮ | কলমের খোঁচা |
| ১১০৯ | কলুর ছেলে, গয়লার গাই, গৃহস্থকে পুষতে নাই |
| ১১১০ | পোষ্যপুত্র, ঘর জামাই, কটা শুদ্র আর বেঁটে মুসলমান- এই চার শালাই সমান । |
| ১১১১ | কলুর বলদ |
| ১১১২ | কল্লার (বা দুষ্টের) ঘাড় বোল্লায় ( বা বোলতায় ) ভাঙ্গে । |
| ১১১৩ | কলসির জল গড়াতে গড়াতেই শেষ |
| ১১১৪ | কুশীলব |
| ১১১৫ | কুশো, কেশে, বেনা; অভাবে সন্না । টাকা-পয়সা কড়ি, অভাবে গড়াগড়ি । |
| ১১১৬ | ক্ষেত আর পুত।/ যত্ন বিনে যমদূত।। |
| ১১১৭ | ক্ষেতের চাষে দুঃখ নাশে |
| ১১১৮ | ক্ষেপই হারে, জনম হারে না |
| ১১১৯ | কষ্ট দিয়ে দান, আর পিত্তি মেরে ভোজন |
| ১১২০ | কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না |
| ১১২১ | কষ্ট বই ইষ্ট নাই |
| ১১২২ | কৃষ্ণকথা মধুরবানী, তুমি বল আমি শুনি |
| ১১২৩ | কষতে কষতে বাঁধন ছেঁড়ে |
| ১১২৪ | ক্ষুদ খেয়ে পুঁজি করে, দুপুরুষে খরচ করে |
| ১১২৫ | ক্ষুধা পেলে দুহাতে খেতে চায় |
| ১১২৬ | ক্ষুধার ধার ছুঁতে কাটে |
| ১১২৭ | ক্ষমার বড় গুণ নাই, দানের বড় পূণ্য নাই |
| ১১২৮ | কুসংবাদ বাতাসের আগে ধায় |
| ১১২৯ | কুসঙ্গে থাকার চেয়ে একা থাকা ভাল |
| ১১৩০ | কুঁড় খেয়ে ভুঁড়ো |
| ১১৩১ | কুড়কুড়ি মরবে, নাঙে বাড়ি ছ্যাড়বে। |
| ১১৩২ | কুড়াল দিয়ে কখনো বন্ধুর কপালে বসা মাছি মারতে যেয়ো না । |
| ১১৩৩ | কড়ি দিয়ে কানা গরু কেনা |
| ১১৩৪ | কড়ি দিয়ে কিনব দই, গোয়ালিনী মোর কিসের সই ? |
| ১১৩৫ | কড়ি দিয়ে খাই দই, কই করবে মোর গয়লা সই । |
| ১১৩৬ | কড়ি দিয়ে হেটে নদী পার |
| ১১৩৭ | কড়ি নেবে গুণে, পথ চলবে জেনে |
| ১১৩৮ | কড়ি ফটকা চিঁড়ে দই, কড়ি বিনে বন্ধু কই । |
| ১১৩৯ | কড়ি হলে (দিলে) বাঘের দুধ মেলে |
| ১১৪০ | কুড়িতে বুড়ি, মরলে মুড়ি |
| ১১৪১ | কড়ির জিনিস পড়িস না |
| ১১৪২ | কড়ির মাথায় বুড়োর বিয়ে |
| ১১৪৩ | কুড়ে কৃষাণ অমাবস্যা খোঁজে |
| ১১৪৪ | কুঁড়ে গরুর এঁটুলি সার |
| ১১৪৫ | কুঁড়ে ঘরে বাস, খাট পালঙ্কের আশ |
| ১১৪৬ | কুড়ে পাটুনীর মুখে আঁটুনি |
| ১১৪৭ | কুঁড়ের অন্ন হয় না |
| ১১৪৮ | কুড়ের পাতে বসে খেও, বেয়োর কাছে না যেও |
| ১১৪৯ | কুড়ের বাক্যে মরি পুড়ে |
| ১১৫০ | কুড়ের বাথান বৈদ্যনাথে |
| ১১৫১ | কুঁড়ের বাদশা |
| ১১৫২ | কুড়েরে কুড়ে, বায় বয়, না, দোরটা দিলে ভাল হয় । |
| ১১৫৩ | কুড়েরে বলে কুড়ে-- আমি ঘুমাই, তুই দোর তাড়া দে । |
| ১১৫৪ | কুয়ো (কুয়াশা) হয়, আমে ভয়, তাল তেঁতুলের কিছুই নয় |
| ১১৫৫ | কুয়োর ব্যাঙ |
| ১১৫৬ | কয়নি আলা বড় লয়, সয়নি আলা বড়। |
| ১১৫৭ | কয়লা ছাড়ে না ময়লা |
| ১১৫৮ | কয়লা ধুলে ময়লা যায় না । |
| ১১৫৯ | খাই দাই কাঁসি বাজাই, রগড়ের ধার ধারি না |
| ১১৬০ | খাই দাই ডুগডুগি বাজাই |
| ১১৬১ | খাই দাই বাঁশি বাজাই |
| ১১৬২ | খাই দাই ভুলিনি, তত্ত্ব কথা ছাড়িনি |
| ১১৬৩ | খাওয়া মুখেতে মুগের ডাল, খাব আর পাড়ব গাল |
| ১১৬৪ | খাওয়াবে হাতির ভোগে, দেখবে বাঘের চোখে |
| ১১৬৫ | খাঁচায় পুরে খোঁচা মারা |
| ১১৬৬ | খাচ্ছিল তাঁতী তাঁত বুনে, কাল হল এঁড়ে বলদ কিনে । |
| ১১৬৭ | খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি |
| ১১৬৮ | খাট ভাঙ্গলে ভূমিশয্যা |
| ১১৬৯ | খাটে খাটায় সোনার ক্ষিতি ( বা লাভের গাঁতি), তার অর্ধেক মাথায় ছাতি, ঘরে বসে পুছে বাত, তার কপালে হা ভাত |
| ১১৭০ | খাডাইশ্যা কুত্তার আগুইন্যা পাদ |
| ১১৭১ | খাতায় কলমে |
| ১১৭২ | খাতায় নাম লেখানো |
| ১১৭৩ | খাঁদা নাকে তিলক পরা |
| ১১৭৪ | খাঁদা নাকে নথ, আর গোদা পায়ে মল |
| ১১৭৫ | খাব না খাব না অনিচ্ছে, তিন রেক চেলে একটা উচ্ছে। |
| ১১৭৬ | খাবার বেগুন, আর বেচবার বেগুন |
| ১১৭৭ | খাবার বেলায় নেবার মা, উলু দেবার বেলায় মুখে ঘা |
| ১১৭৮ | খাবার বেলায় মস্ত হা, উলু দেবার বেলায় মুখে ঘা |
| ১১৭৯ | খাবার সময় শোবার চিন্তা |
| ১১৮০ | খারাপ ছুতোর বেশি আবর্জনা তৈরি করে |
| ১১৮১ | খাল কেটে কুমীর আনা |
| ১১৮২ | খাল পার হয়ে কুমীরকে কলা দেখানো |
| ১১৮৩ | খালি কলসি বাজে বেশি |
| ১১৮৪ | খালি পেটে ধর্ম হয় না |
| ১১৮৫ | খালি পেটে পানি খায়/ যার যার বুঝে খায়। |
| ১১৮৬ | খালি মাথার চেয়ে খালি টাকার থলে অনেক ভাল |
| ১১৮৭ | খালি হাতে ফেরা |
| ১১৮৮ | খায় দায় লাল মিয়া, মোটা হয় জব্বার। |
| ১১৮৯ | খায় না খায় সকালে নায়, হয় না হয় তিনবার যায়, তার কড়ি কি বৈদ্যে পায় ? |
| ১১৯০ | খায় না দেয় না পাপী সঞ্চয় করে, তার ধন খায় চোরে আর পরে |
| ১১৯১ | খায় মালসাট মেরে, উঠে ধরে হাঁটু। |
| ১১৯২ | খায় লয় চাঁদ রায়ের, নাম লয় কেদার রায়ের |
| ১১৯৩ | খিচুড়ি পাকানো |
| ১১৯৪ | খিদে থাকলে নুন দিয়ে ভাত খাওয়া যায় |
| ১১৯৫ | খিদের চোটে পাটকেলে কামড় |
| ১১৯৬ | খিদের মাথায় |
| ১১৯৭ | খিড়কি দিয়ে হাতি গলে সদরে বাঁধে সূচ |
| ১১৯৮ | খুচিয়ে ঘা করা |
| ১১৯৯ | খুচরো কাজের মুজরো নাই |
| ১২০০ | খেঁকি কুকুরের ঘেউ ঘেউ সার |
| ১২০১ | খেজুর গাছ তেলপানা হয়েছে |
| ১২০২ | খেজুরে আলাপ |
| ১২০৩ | খেটে খাওয়া যাদের বরাত, কাটবে না তাদের দুঃখের রাত |
| ১২০৪ | খেটে মরে হাঁস, ডিম খায় দারোগা বাবু । |
| ১২০৫ | খেতে খেতে লোভ বাড়ে, কেঁদে কেঁদে শোক |
| ১২০৬ | খেতে পায় না পচা পুঁটি হাতে পারে হীরের আংটি |
| ১২০৭ | খেতে পেলে শুতে চায় |
| ১২০৮ | খেদাই না, তোর উঠন চষি । |
| ১২০৯ | খেলা ভাঙার খেলা |
| ১২১০ | খেলতে জানলে কানাকড়ি দিয়েও খেলা যায় |
| ১২১১ | খেয়ার কড়ি দিয়ে ডুব দিয়ে পার হওয়া |
| ১২১২ | খেয়ে দেয়ে একাদশী |
| ১২১৩ | খেয়ে দেয়ে যায় শুতে, বিধাতা নিয়ে যায় মুলো চুরি করতে |
| ১২১৪ | খৈয়ে বন্ধনে পড়া |
| ১২১৫ | খোঁটার জোরে মেড়া লড়ে । |
| ১২১৬ | খোঁটার বলে গাড়ল যুঝে |
| ১২১৭ | খোদা যা গড়বেন তা মনে মনেই জানেন |
| ১২১৮ | খোদাকে কে দেখেছে; আক্কেলে মালুম হয়। |
| ১২১৯ | খোদার উপর খোদকারি |
| ১২২০ | খোদার খাশি |
| ১২২১ | খোদার নাও দোয়ায় চলে |
| ১২২২ | খোলনলচে পাল্টানো |
| ১২২৩ | খোশ খবরের ঝুটাও ভাল । |
| ১২২৪ | খোষে তৈল নাই, কলাবড়ার সাধ |
| ১২২৫ | খোঁড়ার পা খানায় পড়ে |
| ১২২৬ | খঞ্জনের নৃত্য দেখে চড়াইও নৃত্য করে |
| ১২২৭ | খুঁট-আঁখুরে গাঁয়ের বালাই |
| ১২২৮ | খুঁটি না থাকলে ঘর আপনি পড়ে |
| ১২২৯ | খটমটিয়ে হাঁটে নারী, কটমটিয়ে চায়, মাস-খানেক ভিতর তার সিঁথির সিঁদুর যায় |
| ১২৩০ | খুদের জাউ পায় না, ক্ষীরের জন্য কাঁদে |
| ১২৩১ | খুন করলে খুনে, পরের কথা শুনে |
| ১২৩২ | খনা বলে চাষার পো/ শরতের শেষে সরিষা রো। |
| ১২৩৩ | খনা বলে শোনভাই/ তুলায় তুলা অধিক পাই। |
| ১২৩৪ | খনা বলে শুন কৃষকগণ/ হাল লয়ে মাঠে বেরুবে যখন/শুভ দেখে করবে যাত্রা/ না শুনে কানে অশুভ বার্তা।/ ক্ষেতে গিয়ে কর দিক নিরূপণ,/ পূর্ব দিক হতে হাল চালন/ নাহিক সংশয় হবে ফলন। |
| ১২৩৫ | খনা বলে শুনে যাও / নারিকেল মুলে চিটা দাও/ গাছ হয় তাজা মোটা/ তাড়াতাড়ি ধরে গোটা। |
| ১২৩৬ | খর নদীতে চর পড়ে না |
| ১২৩৭ | খরা ভুয়ে ঢালবি জল/ সারাবছর পাবি ফল। |
| ১২৩৮ | খরচের খাতায় নাম লেখানো |
| ১২৩৯ | খুরে খুরে দণ্ডবৎ, খুরে নমস্কার |
| ১২৪০ | খল যায় রসাতল |
| ১২৪১ | খড় কুটোর মত ভাসা |
| ১২৪২ | খড়্গ বাগিয়ে বসা |
| ১২৪৩ | খুঁড়িয়ে বড় হওয়া |
| ১২৪৪ | খড়ের আগুণ |
| ১২৪৫ | খড়ের আগুন যেমন জ্বলে তেমন নেভে |
| ১২৪৬ | খড়ের কার্ত্তিক |
| ১২৪৭ | খড়ের গাদায় সূচ খোঁজা । |
| ১২৪৮ | খড়ম পায়ে দিয়ে গঙ্গা পার |
| ১২৪৯ | খয়ের খাঁ |
| ১২৫০ | গু-এর এপিঠ ওপিঠ দুপিঠ সমান |
| ১২৫১ | গু-এর দু পিঠেই গন্ধ |
| ১২৫২ | গঙ্গা গঙ্গা, না জানি কত রঙ্গা চঙ্গা । |
| ১২৫৩ | গঙ্গা মড়া আলেন না |
| ১২৫৪ | গঙ্গাজলে গঙ্গা পূজা |
| ১২৫৫ | গঙ্গার আবার গঙ্গা লাভ |
| ১২৫৬ | গঙ্গার জল গঙ্গায় র'ল, পিতৃপুরুষ উদ্ধার হল |
| ১২৫৭ | গঙ্গার জলে স্নান, তুঙ্গার জল পান |
| ১২৫৮ | গঙ্গার দুকূল ভাঙ্গে না |
| ১২৫৯ | গঙ্গায় অনেক জল বয়ে যাওয়া |
| ১২৬০ | গঙ্গায় ডুব দেওয়া |
| ১২৬১ | গঙ্গায় ময়লা ফেললে গঙ্গার মাহাত্ম্য কমে না |
| ১২৬২ | গঙ্গায়ও মলুম, ভুতও হলুম |
| ১২৬৩ | গাঁ গড়ানে ঘন পা। যেমন মা তেমন ছা।। থেকে বলদ না বয় হাল, তার দুঃখ সর্ব্বকাল। |
| ১২৬৪ | গা ঘামানো |
| ১২৬৫ | গা ছুয়ে বলা |
| ১২৬৬ | গা ঝাড়া দিয়ে ওঠা |
| ১২৬৭ | গা ঢাকা দেওয়া |
| ১২৬৮ | গা ঢেলে দেওয়া |
| ১২৬৯ | গা বাঁচানো |
| ১২৭০ | গাঁ বড় তার মাঝের পাড়া, নাক নেই তার নাক নাড়া |
| ১২৭১ | গা ভারী হওয়া |
| ১২৭২ | গাং ডিঙ্গুলে কুমিরকে কলা দেখানো | |
| ১২৭৩ | গাই কিনবে দুয়ে, বলদ কিনবে বেয়ে |
| ১২৭৪ | গাই গোয়ালা ভাব থাকলে আধসের দুধ এক হাটু জলে |
| ১২৭৫ | গাই ছিল না হল গাই, চালুনি নিয়ে দুইতে যাই। |
| ১২৭৬ | গাই নেই তো বলদ দো |
| ১২৭৭ | গাই পালে মেয়ে/ দুধ পড়ে বেয়ে। |
| ১২৭৮ | গাই বাছুর ঠিক থাকলে দুধের অভাব নাই। |
| ১২৭৯ | গাই বাছুরে ভাব থাকলে মাঠে গিয়ে দুধ দেয় । |
| ১২৮০ | গাইতে গাইতে গায়েন আর বাজাতে বাজাতে বায়েন |
| ১২৮১ | গাইয়ে বাছুর লনা গোয়াইল্যার পেরেশানি |
| ১২৮২ | গাও নষ্ট কানায়, পুকুর নষ্ট পানায়। |
| ১২৮৩ | গাঙ দেখলে মুত আসে/ নাঙ দেখলে হাস আসে (নাঙ মানে - স্বামী) |
| ১২৮৪ | গাঙে গাঙে দেখা হয় তো বোনে বোনে দেখা হয় না |
| ১২৮৫ | গাছ থেকে পড়ে গেল জন পাঁচ- সাত, যার যেখানে ব্যথা তার সেখানে হাত। |
| ১২৮৬ | গাছ থেকে ফল ভারী নয় |
| ১২৮৭ | গাছ প্যাকলে সার আর মানুষ প্যাকলে অসার। |
| ১২৮৮ | গাছ-গাছালি ঘন রোবে না/ গাছ হবে তাতে ফল হবে না। |
| ১২৮৯ | গাছে উঠতে পারে না, বড় ছানাটি আমার । |
| ১২৯০ | গাছে ওঠে পড়তে, আর জামিন হয় মরতে |
| ১২৯১ | গাছে ওঠে পড়তে, জামিন দেয় মরতে |
| ১২৯২ | গাছে কাঁঠাল, গোঁফে তেল |
| ১২৯৩ | গাছে গাছে আগুন জ্বলে/ বৃষ্টি হবে খনায় বলে। |
| ১২৯৪ | গাছে গরু চরানো, মুখে ধান শুকানো |
| ১২৯৫ | গাছে চড়ানো; গাছে ওঠানো |
| ১২৯৬ | গাছে তুলে দিয়ে মই কেড়ে নেওয়া |
| ১২৯৭ | গাছে তুলতে সবাই আছে, নামাতে কেউ নেই |
| ১২৯৮ | গাছে না উঠতেই এক কাঁদি |
| ১২৯৯ | গাছে বেল পাকলে কাকের কি |
| ১৩০০ | গাছের পাড়া, তলারও কুড়ানো |
| ১৩০১ | গাছের পরিচয় ফলে |
| ১৩০২ | গাছের শত্রু লতা, মানুষের শত্রু কথা |
| ১৩০৩ | গাছেরও খাবে, তলারও কুড়াবে। |
| ১৩০৪ | গাঁজা খাওয়া |
| ১৩০৫ | গাঁজা গুলি অন্নভাঙা তিন নিয়ে ফরাসডাঙা |
| ১৩০৬ | গাঁজা তাড়ি প্রবঞ্চনা -- তিন নিয়ে সরশুনা |
| ১৩০৭ | গাঁজাখুরি গল্প |
| ১৩০৮ | গাজনের নেই ঠিক ঠিকানা, ডেকে বলে বাজনা বাজা |
| ১৩০৯ | গাজর, গন্ধি, সুরী/ তিন বোধে দূরী। |
| ১৩১০ | গাধা জল ঘোলা করে খায় |
| ১৩১১ | গাধা পিটিয়ে ঘোড়া করা |
| ১৩১২ | গাধা সকল বইতে পারে, ভাতের কাটি বইতে নারে |
| ১৩১৩ | গাধার খাটুনি খাটা |
| ১৩১৪ | গান, বাজনা সুজন এই তিন নিয়ে সিঙ্গারকোণ |
| ১৩১৫ | গান্ডে পিন্ডে খাওয়া |
| ১৩১৬ | গান্ধিগিরি |
| ১৩১৭ | গাল বাড়ায়ে চড় খাওয়া |
| ১৩১৮ | গাল মন্দ করা |
| ১৩১৯ | গালভরা কথা |
| ১৩২০ | গাড়িকাপড় লা, লা কাপড়গাড়ি |
| ১৩২১ | গায়ে আঁচ লাগা |
| ১৩২২ | গায়ে ওড়ে খড়ি, কলপ দেওয়া দাড়ি |
| ১৩২৩ | গায়ে কফিন বেঁধে ঘুরে বেড়ানো |
| ১৩২৪ | গায়ে গু মাখলে যমে ছাড়ে না |
| ১৩২৫ | গায়ে থুথু দেওয়া |
| ১৩২৬ | গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো |
| ১৩২৭ | গায়ে মাখা |
| ১৩২৮ | গাঁয়ে মানে না, আপনি মোড়ল |
| ১৩২৯ | গায়ে হাওয়া লাগানো |
| ১৩৩০ | গায়ে হাত তোলা |
| ১৩৩১ | গায়ের কালি ধুলে যায়, মনের কালি ম'লে যায় |
| ১৩৩২ | গাঁয়ের গুণে গ'ড়ে গরু বিকায় |
| ১৩৩৩ | গায়ের গন্ধে ভূত পালায়, মাথায় ফুলের তেল |
| ১৩৩৪ | গায়ের জ্বালা |
| ১৩৩৫ | গিন্নি ভাঙল নাদা, ও কিছু নয় দাদা /মেয়ে ভাঙল কাঁসি, পড়ল একটা হাসি / বউ ভাঙল সরা, গেল পাড়া পাড়া |
| ১৩৩৬ | গিন্নির উপর গিন্নিপনা, ভাঙা পিঁড়েয় আলপনা |
| ১৩৩৭ | গিন্নির পাপে গেরস্থ নষ্ট |
| ১৩৩৮ | গিন্নীর হাতে রাঙ্গাপলা, বৌয়ের হাতে সোনার বালা |
| ১৩৩৯ | গেরস্ত কাওরা শোরে কড়ি |
| ১৩৪০ | গেল গেল রব ওঠা |
| ১৩৪১ | গেঁয়ো যোগী ভিখ পায়না |
| ১৩৪২ | গো নারিকেল নেড়ে রো/ আমা টুকরা কাঁঠাল ভো। |
| ১৩৪৩ | গোকুলে জল্পনা বাড়া |
| ১৩৪৪ | গোকুলের ষাঁড় |
| ১৩৪৫ | গোঁগা ছেলের নাম তর্কবাগীশ |
| ১৩৪৬ | গোজন্ম ঘুচে গন্ধর্ব জন্ম হল |
| ১৩৪৭ | গোদা পায়ে মল |
| ১৩৪৮ | গোদা পায়ের লাথি |
| ১৩৪৯ | গোদা বাড়ি ছাঁদন দাড়ি এখন তুমি কার, যখন যার কাছে থাকি, তখন আমি তার |
| ১৩৫০ | গোদের উপর বিষ ফোঁড়া |
| ১৩৫১ | গোপাল সিংহের বেগার |
| ১৩৫২ | গোঁফ খেজুরে |
| ১৩৫৩ | গোঁফ নেই কোন কালে, দাড়ি রেখেছে তোবড়া গালে |
| ১৩৫৪ | গোঁফে তা দেওয়া |
| ১৩৫৫ | গোবর গণেশ |
| ১৩৫৬ | গোবর দিয়া কর যতন, ফলবে দ্বিগুণ ফসল রতন। |
| ১৩৫৭ | গোবর দিয়ে ঘাস এলান |
| ১৩৫৮ | গোবর দিয়ে মুখের চাঁচ নেওয়া |
| ১৩৫৯ | গোবরে পোকার পদ্মমধু খেতে সাধ |
| ১৩৬০ | গোবরে পদ্মফুল ফোটা |
| ১৩৬১ | গোভাগ্য নেই, এঁটুলি ভাগ্য আছে । |
| ১৩৬২ | গো-মড়কে মুচির পার্বণ |
| ১৩৬৩ | গোলা ত' খা ডালা |
| ১৩৬৪ | গোলাও কমাবু ন্যা, ছ্যলও ক্যানব্যা দিবু ন্যা। |
| ১৩৬৫ | গোলে হরি বল । |
| ১৩৬৬ | গোলেমালে চণ্ডীপাঠ |
| ১৩৬৭ | গোসা ঘরে খিল দেওয়া |
| ১৩৬৮ | গোঁড়া কেটে আগায় জল ঢালা |
| ১৩৬৯ | গোড়ায় গলদ |
| ১৩৭০ | গোঁয়ার গোবিন্দ |
| ১৩৭১ | গোঁয়ারের মরণ খোঁয়াড়ে |
| ১৩৭২ | গোয়ালের ধারের ঘাস গরুতে খায় না। |
| ১৩৭৩ | গৌর হতে বাকি অনেক দিন |
| ১৩৭৪ | গৌরীসেনের টাকা |
| ১৩৭৫ | গজ কচ্ছপী |
| ১৩৭৬ | গুটি পোকা গুটি করে, নিজের ফাঁদে নিজে পড়ে |
| ১৩৭৭ | গড্ডলিকা প্রবাহ |
| ১৩৭৮ | গুণে কড়ি জলে ফেলি, সেও ভালো |
| ১৩৭৯ | গুণে নুন দিতে নাই |
| ১৩৮০ | গুণের ঘাট নাই |
| ১৩৮১ | গণেশের যাত্রা ভঙ্গ |
| ১৩৮২ | গতে বাঁধা |
| ১৩৮৩ | গতর নেই চোপায় দড়, মেঙ্গে খায় তার পালি বড় |
| ১৩৮৪ | গতর পোষা |
| ১৩৮৫ | গতরে মাওড়া পোকা (শুঁয়োপোকা) ধরা |
| ১৩৮৬ | গতস্য শোচনা নাস্তি ( যা হয়ে গেছে তার জন্য অনুশোচনা করতে নেই |
| ১৩৮৭ | গদাই লস্করি চাল |
| ১৩৮৮ | গুনি লোকের চড় খাওয়া যায়, বাঁদরের ভেংচি সহ্য হয় না |
| ১৩৮৯ | গুনে কড়ি জলে ফেলা |
| ১৩৯০ | গুনে নুন দিতে নেই, গুণের ঘাট নেই |
| ১৩৯১ | গন্ডারের চামড়া |
| ১৩৯২ | গব্য থাকলে আগে পাছে, কি করবে তার শাকে মাছে |
| ১৩৯৩ | গভীর জলের মাছ । |
| ১৩৯৪ | গুরু করবে চিনে, জল খাবে ছেনে, কড়ি লবে গুনে, পথ চলবে জেনে |
| ১৩৯৫ | গরু খোঁজা |
| ১৩৯৬ | গরু ছাগলের মুখে বিষ।/চারা না খায় রাখিস দিশ ।। |
| ১৩৯৭ | গুরু ছেড়ে গোবিন্দ ভজে, সে জন নরকে মজে |
| ১৩৯৮ | গুরু যা করে তা করো না, গুরু যা কয় সেড্যা কর। |
| ১৩৯৯ | গরু যার, গোবর তার |
| ১৪০০ | গরু না বিয়োতেই ঘিয়ের সর |
| ১৪০১ | গুরু মারা বিদ্যে |
| ১৪০২ | গরু মেরে জুতো দান |
| ১৪০৩ | গুরু মোতে দাঁড়িয়ে, শিস্য মোতে পাক দিয়ে |
| ১৪০৪ | গরু, জরু ধান রাখ বিদ্যমান |
| ১৪০৫ | গ্রামের নাম তেঘরে, তার আবার উত্তর পাড়া দক্ষিণ পাড়া |
| ১৪০৬ | গরীবের কথা বাসি হলে খাটে ( ভাল লাগে) |
| ১৪০৭ | গরীবের গরীবানা নুন দিয়া মিটাখানা। |
| ১৪০৮ | গরীবের ঘোড়া রোগ |
| ১৪০৯ | গরীবের রাঙতাই সোনা |
| ১৪১০ | গরজ বড় বালাই |
| ১৪১১ | গর্জায় কিন্তু বর্ষায় না । |
| ১৪১২ | গরজে গঙ্গা স্নান |
| ১৪১৩ | গরজে গয়লা ঢেলা বয় |
| ১৪১৪ | গরু-জরু-ক্ষেত-পুতা/ চাষীর বেটার মূল সুতা। |
| ১৪১৫ | গর্তের সাপ খুচিয়ে বার করা |
| ১৪১৬ | গরব কর যৌবনের ভরে, কাদঁতে হবে অঝোর ঝোরে |
| ১৪১৭ | গরম গরম কথা |
| ১৪১৮ | গরম দুধ ফুঁ দিয়ে খাওয়া |
| ১৪১৯ | গরম দুধে ঠোঁট পোড়ান |
| ১৪২০ | গরম ভাতে বিলাই ব্যাজার। |
| ১৪২১ | গরমাগরম |
| ১৪২২ | গুরুর কতা ল্যায় না কানে, জিউ যায় তার পুটকির টানে। |
| ১৪২৩ | গুরুর কথা না শুনে কানে, প্রাণ যায় তার হেঁচকা টানে |
| ১৪২৪ | গরুর পিঠে তুললে হাত। গিরস্থে কভু পায় না ভাত।। গাই দিয়া বায় হাল দু:খ তার চিরকাল। |
| ১৪২৫ | গ্রহণ লাগলে সবাই দেখে |
| ১৪২৬ | গ্রহণের চাঁদ |
| ১৪২৭ | গলগ্রহ |
| ১৪২৮ | গলা টিপলে এখনও দুধ বেরোয় |
| ১৪২৯ | গলা নেই গান গায়, মাগ নেই শ্বশুরবাড়ি যায় |
| ১৪৩০ | গলার নীচে গেলে আর মনে থাকে না । |
| ১৪৩১ | গলায় কাঁটা ফুটলে বেড়ালের পায়ে ধরে |
| ১৪৩২ | গলায় গলায় পিরীত |
| ১৪৩৩ | গল্পের গরুকে গাছে তোলা |
| ১৪৩৪ | গল্পের ভুশুড়ি ভাঙা |
| ১৪৩৫ | গৃহ স্থির আগে কর, গৃহিনী স্থির তার পরে |
| ১৪৩৬ | গুড় অন্ধকারেও মিষ্টি লাগে |
| ১৪৩৭ | গুড় দিয়ে খেলে গুণচটও মিস্ট লাগে |
| ১৪৩৮ | গড়া কঠিন, ভাঙা সহজ |
| ১৪৩৯ | গড়ের মাঠ |
| ১৪৪০ | গড়তে চায় ঠাকুর, হয়ে যায় কুকুর |
| ১৪৪১ | গুড়-ব্যাঘ্র |
| ১৪৪২ | গয়ার পাপ বিদায় করা |
| ১৪৪৩ | গুয়ে বলে গোবর দাদা, তোর গায়ে কেন গন্ধ |
| ১৪৪৪ | গুয়ের ঠিকিত ঢ্যাল দিলে একটেকার গু সাতটে হয়। |
| ১৪৪৫ | ঘুঘু দেখেছ, ফাঁদ দেখনি |
| ১৪৪৬ | ঘা যার দুঃখ তার। |
| ১৪৪৭ | ঘা দেখলে দুখ উঠে গাঙ দেখলে মুত ছুটে। |
| ১৪৪৮ | ঘা শুকালে চিহ্ন থাকে |
| ১৪৪৯ | ঘাট মানা |
| ১৪৫০ | ঘাটি গাড়া |
| ১৪৫১ | ঘাটের নৌকা ঘাটে রইল, কান্ডারী কোথায় পালিয়ে গেল |
| ১৪৫২ | ঘাটের মড়া |
| ১৪৫৩ | ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়া |
| ১৪৫৪ | ঘাড় কেন কাত ? আমরা এক জাত । |
| ১৪৫৫ | ঘাড় ভাঙা |
| ১৪৫৬ | ঘাড়ে গঙ্গাজল দেওয়া |
| ১৪৫৭ | ঘাড়ে দুটো মাথা থাকা |
| ১৪৫৮ | ঘাড়ে বোঝা চাপান |
| ১৪৫৯ | ঘাড়ে ভুত চাপা |
| ১৪৬০ | ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলা |
| ১৪৬১ | ঘাড়ের থেকে ভুত নামানো |
| ১৪৬২ | ঘায়েই মাছি বসে |
| ১৪৬৩ | ঘি আদুড়, ঘোল ঢাকা |
| ১৪৬৪ | ঘি খাইলে বল বাড়ে, হাগ খাইলে মল বাড়ে। |
| ১৪৬৫ | ঘি দিয়ে ভাজ নিমের পাতা, তবু যায় না জাতের জাতা |
| ১৪৬৬ | ঘি পচলে বিষ। |
| ১৪৬৭ | ঘি ভাত খেতে ঠোঁট পুড়লো |
| ১৪৬৮ | ঘেঁটেল চেটেল ফড়ে -- তিন নিয়ে উলুবেড়ে |
| ১৪৬৯ | ঘোঁট পাকানো |
| ১৪৭০ | ঘোমটার তলে খেমটা নাচ |
| ১৪৭১ | ঘোর কাটা |
| ১৪৭২ | ঘোল খাবেন রামকৃষ্ণ, কড়ি দেবেন কালী ( বা নিধি) |
| ১৪৭৩ | ঘোল মাগতে গিয়ে পিছনে ভাঁড় |
| ১৪৭৪ | ঘোল, কুল, কলা তিনে নাশে গলা। |
| ১৪৭৫ | ঘোষ বংশ বড় বংশ, বোস বংশ দাতা/ মিত্র অতি কুটিল, দত্ত হারামজাদা |
| ১৪৭৬ | ঘোড়া চিনি কানে, দাতা চিনি দানে, মানুষ চিনি হালে, আর মনি চিনি জলে |
| ১৪৭৭ | ঘোড়া চিনি কানে, রাজা চিনি দানে, মেয়ে চিনি হাসে, পুরুষ চিনি কাসে |
| ১৪৭৮ | ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া |
| ১৪৭৯ | ঘোড়া থাকলে চাবুকের ভাবনা |
| ১৪৮০ | ঘোড়া দেখলেই খোঁড়া |
| ১৪৮১ | ঘোড়া ভেড়ার এক দর |
| ১৪৮২ | ঘোড়ার কামড় ছাড়তে জানে না |
| ১৪৮৩ | ঘোড়ার গোয়ালে ভেড়া ঢোকানো |
| ১৪৮৪ | ঘোড়ার ঘাস কাটা |
| ১৪৮৫ | ঘোড়ার ডিম |
| ১৪৮৬ | ঘোড়ার পেট গাধার পিঠ, খালি থাকে কদাচিৎ |
| ১৪৮৭ | ঘট গড়তে পারে না, মেটের (বড় জালা) বায়না নেয় । |
| ১৪৮৮ | ঘটকালি করতে গিয়ে বিয়ে করে আসা |
| ১৪৮৯ | ঘটি কেনা গঙ্গাস্নান |
| ১৪৯০ | ঘটির তলায় দিয়ে আটা, যোগে যোগে কাল কাটা |
| ১৪৯১ | ঘটিরাম ডেপুটি |
| ১৪৯২ | ঘুঁটে কুড়নির বেটা, পদ্ম মোড়ল বা চন্দনবিলেস |
| ১৪৯৩ | ঘুটে পোড়ে, গোবর হাসে, তোমার একদিন আছে শেষে |
| ১৪৯৪ | ঘণ্টা বাজিয়ে দুর্গোৎসব, ইতু পূজায় ঢাক |
| ১৪৯৫ | ঘন দুধের ফোঁটা, বড় মাছের কাঁটা |
| ১৪৯৬ | ঘন সরিষা পাতলা রাই/ নেংগে নেংগে কার্পাস পাই। |
| ১৪৯৭ | ঘুম নাই যোগীর আর রোগীর |
| ১৪৯৮ | ঘুমন্ত বাঘকে চিইও না |
| ১৪৯৯ | ঘুমন্ত বাঘে শিকার ধরে না |
| ১৫০০ | ঘুমন্ত শৃগালে শিকার ধরে না |
| ১৫০১ | ঘর আলো করা |
| ১৫০২ | ঘর করতে চাই দড়ি, বিয়ে করতে চাই কড়ি । |
| ১৫০৩ | ঘর গোছানো |
| ১৫০৪ | ঘর চোরে পার নেই |
| ১৫০৫ | ঘর জামাইয়ের পোড়া মুখ, মরা বাঁচা সমান সুখ |
| ১৫০৬ | ঘর জ্বালানো পর ভুলানো |
| ১৫০৭ | ঘর থাকতে বাবুই ভেজা (ভিজে) |
| ১৫০৮ | ঘর দেখে দেয় আর বর দেখে দেয় |
| ১৫০৯ | ঘর দোর নেই যার, আগুনে কি ভয় তার |
| ১৫১০ | ঘর নেই দোর বাঁধে, মাগ নাই ছেলের জন্য কাঁদে |
| ১৫১১ | ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায় |
| ১৫১২ | ঘর পোড়ার কাঠ |
| ১৫১৩ | ঘর ফাদবে ছাইবে না, ধার দেবে চাইবে না |
| ১৫১৪ | ঘর ফাঁদলে দড়ি, বিয়ে ফাঁদলে কড়ি |
| ১৫১৫ | ঘর বাঁচাতে ঘর বাঁধা |
| ১৫১৬ | ঘর বাঁধা |
| ১৫১৭ | ঘর বার করা |
| ১৫১৮ | ঘর ভেদেই রাবণ নষ্ট |
| ১৫১৯ | ঘর সন্ধানী বিভীষণ |
| ১৫২০ | ঘরও ঢোকে, পা'ও কাঁপে |
| ১৫২১ | ঘরামীর ঘর ছেঁদা |
| ১৫২২ | ঘরামীর মটকা আদুল |
| ১৫২৩ | ঘরচোরকে পেরে ( বা এঁটে) উঠা দায় |
| ১৫২৪ | ঘরে আগুন দেওয়া |
| ১৫২৫ | ঘরে ইঁদুর বাস (কাটলে ) ধরে রাখে কে |
| ১৫২৬ | ঘরে ঘরে চুরি, তাই প্রাণ ধরি |
| ১৫২৭ | ঘরে ছুঁচোর কেত্তন, বাইরে কেঁচোর পত্তন । |
| ১৫২৮ | ঘরে থাকতে নানা নিধি, খেতে দেয় না দারুণ বিধি |
| ১৫২৯ | ঘুরে দাঁড়ানো |
| ১৫৩০ | ঘরে নাই অষ্টরম্ভা বাহিরে কোঁচা লম্বা |
| ১৫৩১ | ঘরে নাই খাইতে/ বিলই কান্দে রাইতে।। |
| ১৫৩২ | ঘরে নাই দশটি, পথে পথে ফস্টি |
| ১৫৩৩ | ঘরে নাই ভাঙ ( বা ভাজা ) ভুজা, নিত্য করেন গোঁসাই পূজা |
| ১৫৩৪ | ঘরে নেই ঘটি বাটি, কোমরে মেলাই চাবি কাঠি |
| ১৫৩৫ | ঘরে নেই যা, বাছা মাগে তা |
| ১৫৩৬ | ঘরে নেই ভাত, কোঁচা তিন হাত |
| ১৫৩৭ | ঘরে বাইরে এক মন, তবে হয় কৃষ্ণ ভজন |
| ১৫৩৮ | ঘরে বসিয়ে মাইনে দেয়, এমন মনিব কোথায় পাই |
| ১৫৩৯ | ঘরে বসে কেল্লা মারা |
| ১৫৪০ | ঘরে বসে রাজা উজির মারা |
| ১৫৪১ | ঘরে বসে রাজার মাকে ডাইনী বলা |
| ১৫৪২ | ঘরে ভাত নেই, যত্নে ঘাট নেই |
| ১৫৪৩ | ঘরে ভাত নেই, দোরে চাঁদোয়া |
| ১৫৪৪ | ঘরে মরছে পুতের বউ, বাইরে মরছে ঝি জামাই/ যার কান্দা হে কান্দুক, আমার ক্ষতি নাই (কিশোরগঞ্জ) |
| ১৫৪৫ | ঘরে শাক সিজানা, বাহিরে বাবুয়ানা |
| ১৫৪৬ | ঘুরেও ক্ষুদের বাপ, ফিরেও ক্ষুদের বাপ |
| ১৫৪৭ | ঘরের ইঁদুর বাঁশ কাটলে ধরে রাখে কে ? |
| ১৫৪৮ | ঘরের কাছে নিড়ানি, ঘন ঘন জিরানি |
| ১৫৪৯ | ঘরের কোনে মরিচ গাছ/ লাল মরিচ ধরে,/ তোমার কথা মনে হলে/ চোখের পানি পড়ে! |
| ১৫৫০ | ঘরের কত সুখ, পৌষ মাস দেখে ভাতের দুখ |
| ১৫৫১ | ঘরের কড়ি দিয়ে নায় ডুবে মরা |
| ১৫৫২ | ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো |
| ১৫৫৩ | ঘরের গাছা, পেটের বাছা |
| ১৫৫৪ | ঘরের ঢেঁকিই কুমীর |
| ১৫৫৫ | ঘরের ভাত খেয়ে বিলের মহিস তাড়ানো |
| ১৫৫৬ | ঘরের ভাত দিয়ে শকুনি পোষে, গোয়ালের গরু টেঁকে বসে |
| ১৫৫৭ | ঘরের ভাত দিয়ে শকুনী পোষে, গোয়ালের গরু টেঁকে কীসে ? |
| ১৫৫৮ | ঘরের মা ভাত পায় না, পরের জন্য মাথা ব্যাথা |
| ১৫৫৯ | ঘরের মধ্যে তিনজন হেগে গেল কোন জন |
| ১৫৬০ | ঘরের শত্রু বিভীষণ |
| ১৫৬১ | ঘরের ষাঁড় পেট ফাঁড়ে |
| ১৫৬২ | ঘরজ্বালানে, পরভুলানে |
| ১৫৬৩ | ঘরমুখো বাঙালি, রণমুখো সেপাই |
| ১৫৬৪ | ঘুষ পেলে আমলা তুস্ট |
| ১৫৬৫ | ঘষতে ঘষতে পাথরও ক্ষয়ে যায় |
| ১৫৬৬ | ঘসে মেজে রূপ আর ধরে বেঁধে প্রেম |
| ১৫৬৭ | ঘসে মেজে সুন্দরী |
| ১৫৬৮ | ঘড়িককে ঘোড়া ছোটা |
| ১৫৬৯ | চকচক করলেই সোনা হয় না |
| ১৫৭০ | চক্ষু চড়কগাছ |
| ১৫৭১ | চক্ষু বিনা যেমন অঙ্গ /ভক্তি বিনা সাধু সঙ্গ |
| ১৫৭২ | চক্ষু মন্দ তো জগত মন্দ |
| ১৫৭৩ | চক্ষে চক্ষে যতক্ষণ প্রান পোড়ে ততক্ষণ |
| ১৫৭৪ | চক্ষে দেখলে শুনতে চায় এমন নির্বোধ আছে কোথায়? |
| ১৫৭৫ | চক্ষে সরিষার ফুল দেখা |
| ১৫৭৬ | চক্ষুলজ্জার মাথা খাওয়া |
| ১৫৭৭ | চাকরি মেঘের ছায়া, মিছে কর তার মায়া |
| ১৫৭৮ | চাগাড় দেওয়া |
| ১৫৭৯ | চাচা আপন চাচী পর, চাচীর মেয়ে বিয়ে কর |
| ১৫৮০ | চাচা আপন প্রাণ বাঁচা |
| ১৫৮১ | চাচাই বল, কাকাই বল, কলাটি পাঁচ কড়া |
| ১৫৮২ | চাঁছাছোলা ভাষায় কথা বলা |
| ১৫৮৩ | চাঁদ হাতে পাওয়া |
| ১৫৮৪ | চাঁদেও কলঙ্ক থাকে |
| ১৫৮৫ | চাঁদের কাছে জোনাকি পোকা, ঢাকের কাছে টেমটেমি |
| ১৫৮৬ | চাঁদের টুকরো, চাঁদের কণা |
| ১৫৮৭ | চাঁদের হাট বাজার |
| ১৫৮৮ | চাপ পড়লেই বাপ |
| ১৫৮৯ | চাপা দেওয়া |
| ১৫৯০ | চাঁপা ফুলের গন্ধে, জামাই আসে আনন্দে |
| ১৫৯১ | চাবের ঘরে চুরি |
| ১৫৯২ | চামচ দিয়ে খাওয়ানো |
| ১৫৯৩ | চামড়ার মুখ লড়খড়া, কথা যায়গি তেড়াবেড়া। |
| ১৫৯৪ | চার চক্ষু এক হওয়া |
| ১৫৯৫ | চার হাত এক করা |
| ১৫৯৬ | চাল কি দর, না মামার ভাতে আছি |
| ১৫৯৭ | চাল চালা; চাল দেওয়া |
| ১৫৯৮ | চাল না চুলো, ঢেঁকি না কুলো, বিধাতা করেছে দোর বুলো বুলো |
| ১৫৯৯ | চাল নাই, ধান নাই, গোলা ভরা ইঁন্দুর |
| ১৬০০ | চালায় চালায় কুমুড় পাতা/ লক্ষ্মী বলেন আছি তথা। |
| ১৬০১ | চালে খড় নেই, ঘরে বাতি, বিছানা নেই, পোহায় রাতি |
| ১৬০২ | চালের বাতায় মানিক থুয়ে উলুবনে হাতড়ানো |
| ১৬০৩ | চালুনি ক'রে ঘোল বিলানো |
| ১৬০৪ | চালুনি বলে সূচ কে, তোর পেছনে ছ্যাদা ! |
| ১৬০৫ | চাষা কি জানে মদের স্বাদ |
| ১৬০৬ | চাষা ভুসো |
| ১৬০৭ | চাষার গদ্দি কাস্তের ঠোক্কর |
| ১৬০৮ | চাষার চাষ দেখে চাষ করলে গোয়াল; ধানের সঙ্গে খোঁজ নেই, বোঝা বোঝা পোয়াল |
| ১৬০৯ | চাষার মুখ না আখার মুখ |
| ১৬১০ | চাষার হাতে শালগ্রামের মরণ |
| ১৬১১ | চাষী আর চষা মাটি/ এ দু'য়ে হয় দেশ খাঁটি। |
| ১৬১২ | চাষে মুলা তার/ অর্ধেক তুলা তার/ অর্ধেক ধান/ বিনা চাষে পান |
| ১৬১৩ | চাহিলেন জিরা, পাইলেন হীরা |
| ১৬১৪ | চাঁড়ালের চিনি, বামনের লবণ |
| ১৬১৫ | চায়ের পেয়ালায় তুফান তোলা |
| ১৬১৬ | চিংড়ি মাছ খেয়ে রবিবার নষ্ট |
| ১৬১৭ | চিৎপাতের কড়ি উৎপাতে যায় |
| ১৬১৮ | চিনির পুতুল |
| ১৬১৯ | চিনির বলদ |
| ১৬২০ | চিনিস বা না চিনিস, ঘুঁজি দেখে কিনিস। |
| ১৬২১ | চিনে বৃষ্টি হলে দিল্লীতে ছাতা খোলা |
| ১৬২২ | চিন্তের মায়ের চিন্তে হাটের লোক শোয় কোথায়? |
| ১৬২৩ | চিনলে জড়ি, না চিনলে জঙ্গলের খড়ি। |
| ১৬২৪ | চিবিয়ে চিবিয়ে কথা বলা |
| ১৬২৫ | চিরকাল সমান যায় না |
| ১৬২৬ | চিল পড়লে কুটোটাও নিয়ে যায় |
| ১৬২৭ | চিলকে বিল দেখানো ভাল নয় |
| ১৬২৮ | চিড়া বল মুড়ি বল ভাতের মত লয়, চাচী দ্যাক ফুবু দ্যাক মার মত লয়। |
| ১৬২৯ | চিঁড়ে কাঁচকলা |
| ১৬৩০ | চিঁড়ে চ্যাপ্টা |
| ১৬৩১ | চিড়ের বাইশ ফের |
| ১৬৩২ | চেটায় শুয়ে লক্ষ টাকার স্বপন দেখা |
| ১৬৩৩ | চেতনেতে অচেতন, প্রেমে টানে যার মন |
| ১৬৩৪ | চেনা ছকে দেখা মেলা |
| ১৬৩৫ | চেনা বামুনের পইতে লাগে না । |
| ১৬৩৬ | চেপে যাওয়া |
| ১৬৩৭ | চেপে ধরা |
| ১৬৩৮ | চেপে বসা |
| ১৬৩৯ | চেরাগের নীচেই অন্ধকার |
| ১৬৪০ | চৈতে কুয়ো, ভাদ্রে বান, নরের মুন্ড গড়াগড়ি যান |
| ১৬৪১ | চৈতে গিমা তিতা, বৈশাখে নালিতা মিঠা, জ্যৈষ্ঠে অমৃতফল আষাঢ়ে খৈ, শায়নে দৈ।ভাদরে তালের পিঠা, আশ্বিনে শশা মিঠা,কার্তিকে খৈলসার ঝোল, অগ্রাণে ওল।পৌষে কাঞ্ছি, মাঘে তেল, ফাল্গুনে পাকা বেল। |
| ১৬৪২ | চৈতের কুয়া আমের ক্ষয়/ তাল তেঁতুলের কিবা হয়। |
| ১৬৪৩ | চৈত্রে চালিতা, বৈশাখে নালিতা, আষাড়ে-ভাদ্রে তালের পিঠা।/আর্শ্বিনে ওল,/কার্তিকে কৈয়ের ঝোল |
| ১৬৪৪ | চৈত্রে দিয়া মাটি/ বৈশাখে কর পরিপাটি। |
| ১৬৪৫ | চৈত্রেতে থর থর/ বৈশাখেতে ঝড় পাথর/ জ্যৈষ্ঠতে তারা ফুটে/ তবে জানবে বর্ষা বটে। |
| ১৬৪৬ | চৈত্রের গীত বৈশাখে |
| ১৬৪৭ | চোখ কপালে তোলা |
| ১৬৪৮ | চোখ চায়, সে পায়, চোখ বোজে সে হারায় |
| ১৬৪৯ | চোখ চড়কগাছ |
| ১৬৫০ | চোখ জোড়ানো |
| ১৬৫১ | চোখ টাটানো |
| ১৬৫২ | চোখ তোলা |
| ১৬৫৩ | চোখ থাকতে অন্ধ |
| ১৬৫৪ | চোখ দিয়েছেন বিধি, দেখ নিরবধি / মন্দভাবে চাও, চোখের মাথা খাও |
| ১৬৫৫ | চোখ বোলানো |
| ১৬৫৬ | চোখ বুজে থাকা |
| ১৬৫৭ | চোখ বুজলেই অন্ধকার |
| ১৬৫৮ | চোখ বন্ধ করে ভরসা করা |
| ১৬৫৯ | চোখ মনের আয়না |
| ১৬৬০ | চোখ রাঙানি |
| ১৬৬১ | চোখ লাল করা |
| ১৬৬২ | চোখা চোখা কথা |
| ১৬৬৩ | চোখা চোখা প্রশ্ন |
| ১৬৬৪ | চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো |
| ১৬৬৫ | চোখে চোখে যতক্ষণ, প্রাণ পোড়ে ততক্ষণ |
| ১৬৬৬ | চোখে দেখলে শুনতে চায়, এমন বোকা আছে কোথায় ? |
| ১৬৬৭ | চোখে ধুলো দেওয়া |
| ১৬৬৮ | চোখে পড়া |
| ১৬৬৯ | চোখে ভেলকি লাগা |
| ১৬৭০ | চোখে মুখে কথা বলা |
| ১৬৭১ | চোখে সরষে ফুল দেখা |
| ১৬৭২ | চোখের আড়াল হলেই মনের আড়াল |
| ১৬৭৩ | চোখের চামড়া |
| ১৬৭৪ | চোখের জলে নাকের জলে হওয়া |
| ১৬৭৫ | চোখের দেখা |
| ১৬৭৬ | চোখের দোষে সব হলদে |
| ১৬৭৭ | চোখের পর্দা |
| ১৬৭৮ | চোখের বালি |
| ১৬৭৯ | চোখের বদলে চোখ, দাঁতের বদলে দাঁত |
| ১৬৮০ | চোর খোঁজে আঁধার রাত |
| ১৬৮১ | চোর চায় ভাঙা বেড়া |
| ১৬৮২ | চোর ছ্যাঁচড় চোপায় দড়, আগে দৌড়ায় ঠাকুর ঘর |
| ১৬৮৩ | চোর ডাকাতের ভয়, পেটে পুরলে রয় |
| ১৬৮৪ | চোর দিয়ে চোর ধরা |
| ১৬৮৫ | চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী । |
| ১৬৮৬ | চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে |
| ১৬৮৭ | চোর ভাল তাও বেকুব ভাল নয়। |
| ১৬৮৮ | চোর মজে সাত ঘর মজিয়ে |
| ১৬৮৯ | চোরকে দেকাইও না বাড়ি আর বৈদ্যকে দেকাইও না নাড়ি। |
| ১৬৯০ | চোরকে বল চুরি করতে, গৃহিকে বল সজাগ থাকতে |
| ১৬৯১ | চোরা গরুর সঙ্গে ( বা অপরাধে) কপিলার বন্ধন |
| ১৬৯২ | চোরে কামারে দেখা নেই, সিধ কাঠি গড়া |
| ১৬৯৩ | চোরে চোরে মাসতুতো ভাই |
| ১৬৯৪ | চোরের আবার পুরুত |
| ১৬৯৫ | চোরের উপর বাটপাড়ি |
| ১৬৯৬ | চোরের উপর রাগ করে ভূয়ে (মাটিতে) ভাত খাওয়া |
| ১৬৯৭ | চোরের গরু গোয়ালে বাঁধা থাকে |
| ১৬৯৮ | চোরের দশ দিন, গৃহস্তের এক দিন |
| ১৬৯৯ | চোরের ধন বাটপাড়ে খায় |
| ১৭০০ | চোরের বাড়িতে দালান ওঠে না |
| ১৭০১ | চোরের মার কুটকুটি, অন্ধকার ঘুটঘুটি |
| ১৭০২ | চোরের মার বড় গলা/ লাফ দিয়ে খায় গাছের কলা |
| ১৭০৩ | চোরের মার বড় গলা, খেতে চায় দুধ কলা |
| ১৭০৪ | চোরের মায়ের কান্না |
| ১৭০৫ | চোরের মন পুঁই-আদাড়ে |
| ১৭০৬ | চোরের রাত্রিবাসও লাভ |
| ১৭০৭ | চোরের সাক্ষী গাটকাটা, শুঁড়ির সাক্ষী মাতাল |
| ১৭০৮ | চোর-পুলিশ খেলা |
| ১৭০৯ | চৌকাঠ মাড়ানো |
| ১৭১০ | চৌকিদারি কি ঝকমারি, মার খেতে প্রান গেল |
| ১৭১১ | চৌঘরী মাত দেখানো |
| ১৭১২ | চৌদ্দ শাকের মধ্যে ওল পরামানিক |
| ১৭১৩ | চ্যাংড়া প্যাঙড়া নাঙ, ঘর দুয়ার ভাঙ। |
| ১৭১৪ | চ্যাংড়া প্যাঙড়ার হাত থাকে লোয়া, শয়তানে মারে গোয়া। |
| ১৭১৫ | চ্যাংড়া হাগে তরব্যা, বুড়া হাগে মরব্যা। |
| ১৭১৬ | চ্যায়াচিন্তা খাই, কারো দুয়ার ত না যাই। |
| ১৭১৭ | চটে লাল |
| ১৭১৮ | চতুরের কাছে চতুরালী |
| ১৭১৯ | চতুরের ফতুর |
| ১৭২০ | চুন খ্যায়্যা মুক পুড়লে দই দেক্যাও ভয় লাগে। |
| ১৭২১ | চুনোপুঁটি |
| ১৭২২ | চন্ডীচরণ ঘুঁটে কুড়োয়, রান্না ঘরে ঘোড়া |
| ১৭২৩ | চন্দন গাছে সাপ |
| ১৭২৪ | চন্দ্র সূর্য অস্ত গেল, জোনাকি ধরে বাতি, মোগল পাঠান হদ্দ হল, ফারসী পড়ে তাঁতি |
| ১৭২৫ | চমচম, টমটম ও শাড়ি, এই তিনে টাঙ্গাইলের বাড়ি |
| ১৭২৬ | চুরি বিদ্যা বড় বিদ্যা, যদি না পড় ধরা । |
| ১৭২৭ | চরণামৃত চরণামৃত না জানি কি অমৃত, খেয়ে দেখি জল । |
| ১৭২৮ | চর্বিত চর্বণ |
| ১৭২৯ | চরমে ওঠা |
| ১৭৩০ | চুল চিরে ভাগ করা |
| ১৭৩১ | চুল চেরা |
| ১৭৩২ | চুল চেরা বিশ্লেষণ // চুল চেরা হিসাবকষা |
| ১৭৩৩ | চুল থাকে তো বাঁধি, গুণ থাকে তো কাঁদি |
| ১৭৩৪ | চুলকে ঘা করা |
| ১৭৩৫ | চলেছ যদি বঙ্গে কপাল যাবে সঙ্গে |
| ১৭৩৬ | চুলোমুখো দেবতার ঘুটের ছাই নৈবদ্য |
| ১৭৩৭ | চুলোয় যাওয়া |
| ১৭৩৮ | চলতে পারে না তার ঘাড়ে বন্দুক |
| ১৭৩৯ | চুলর উপর ক্ষীর, মন নয় স্থির |
| ১৭৪০ | চললেই চল্লিশ বুদ্ধি, না চললেই হতবুদ্ধি |
| ১৭৪১ | চড় মেরে গড় করা |
| ১৭৪২ | চড় মেরে চড় খাওয়া |
| ১৭৪৩ | চড়ুকে বাতিক |
| ১৭৪৪ | চড়ুকে হাসি |
| ১৭৪৫ | চড়াইয়ের মত ঘুরে বেড়ানো |
| ১৭৪৬ | চূড়ার উপর ময়ূর-পাখা |
| ১৭৪৭ | ছক্কা পাঞ্জা করা |
| ১৭৪৮ | ছকড়া নকড়া করা |
| ১৭৪৯ | ছা পোষা |
| ১৭৫০ | ছাই চাপা আগুন । |
| ১৭৫১ | ছাই চাপা কপাল |
| ১৭৫২ | ছাই পায় না, মুড়কি জলপান |
| ১৭৫৩ | ছাই পেতে ( বা বাঁশ পেড়ে) কাটা |
| ১৭৫৪ | ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো |
| ১৭৫৫ | ছাইতে জানিনে গোড় চিনি |
| ১৭৫৬ | ছাগল টাইনা নিলেও ভ্যাবায়। |
| ১৭৫৭ | ছাগল দিয়ে ধান মাড়ানো |
| ১৭৫৮ | ছাগল বলে আলুনি খেলাম, গেরস্থ বলে প্রাণে মরলাম |
| ১৭৫৯ | ছাগলে কি না খায়, পাগলে কি না কয় |
| ১৭৬০ | ছাগলের তৃতীয় সন্তান |
| ১৭৬১ | ছাঁচি পান এলাচি গুয়ো আমি সোহাগী সতীন দুয়ো |
| ১৭৬২ | ছাঁচে ঢালা |
| ১৭৬৩ | ছাঁচের ঘরে খাবি খায়, সমুদ্র পার হতে চায় |
| ১৭৬৪ | ছায়া ভালো ছাতার তল,/ বল ভালো নিজের বল। |
| ১৭৬৫ | ছাতা দিয়ে মাথা রাখা |
| ১৭৬৬ | ছাতা বলে গাঁ আমার |
| ১৭৬৭ | ছাতারে কীর্তন |
| ১৭৬৮ | ছাতুর হাড়িতে বাড়ি পড়া |
| ১৭৬৯ | ছাঁদন দড়ি গোদা বাড়ী, যে আমার আমি তারি |
| ১৭৭০ | ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির দম |
| ১৭৭১ | ছারপোকার বিয়েন |
| ১৭৭২ | ছাল নেই, কুত্তার নাম বাঘা |
| ১৭৭৩ | ছায়া আর কায়া |
| ১৭৭৪ | ছায়া না মাড়ানো |
| ১৭৭৫ | ছায়া ফেলা |
| ১৭৭৬ | ছায়াতে ভুত দেখা |
| ১৭৭৭ | ছায়ার সাথে কুস্তি |
| ১৭৭৮ | ছিকলি ( শিকলি) কাটা টিয়ে |
| ১৭৭৯ | ছিঁচা পানি মিছা। |
| ১৭৮০ | ছিল ঢেঁকি হল শূল ( বা তুল) কাটতে কাটতে নির্মূল |
| ১৭৮১ | ছিল না কথা দিলে গাল, আজ না হয় হবে কাল |
| ১৭৮২ | ছিলাম রোগী হলাম রোজা |
| ১৭৮৩ | ছিঁড়ে ছিঁড়ে কাটুনী, পুড়ে-ঝুড়ে রাঁধুনী |
| ১৭৮৪ | ছিঁড়ল দড়া তো ছুটল ঘোড়া |
| ১৭৮৫ | ছুঁচ হয়ে ঢোকে ফাল হয়ে বেরোয় |
| ১৭৮৬ | ছুঁচের ডগায় দোলা |
| ১৭৮৭ | ছুঁচো যদি আতর মাখে, তবু কি তার গন্ধ ঢাকে |
| ১৭৮৮ | ছুঁচো মেরে হাতে গন্ধ |
| ১৭৮৯ | ছুঁচোর কেত্তন |
| ১৭৯০ | ছুঁচোর গু ঔষধে লাগে, ছুঁচো গিয়ে পর্বতে হাগে |
| ১৭৯১ | ছুঁচোর গু পর্বত |
| ১৭৯২ | ছুঁচোর গোলাম চামচিকে, তার মাইনে চৌদ্দ সিকে |
| ১৭৯৩ | ছেঁদো কথার মাথায় জটা, ছাড়াতে গেলে বিষম ল্যাটা |
| ১৭৯৪ | ছেলে আমার তোতাপাখি |
| ১৭৯৫ | ছেলে মারে কাপড় ছেঁড়ে, আপনার ক্ষতি আপনি করে |
| ১৭৯৬ | ছেলের চেয়ে ছেলের গু ভারী |
| ১৭৯৭ | ছেলের চেয়ে ছেলের মাথা ভারী |
| ১৭৯৮ | ছেলের মত হাত-পা, বুড়োর মত কথা |
| ১৭৯৯ | ছেলের হাতের মোয়া |
| ১৮০০ | ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখা |
| ১৮০১ | ছেঁড়া কাপড়ে রুখু মাথা |
| ১৮০২ | ছেঁড়া কচুর পাত, এক মাগকে ভাত দেয় না, আবার মাগের সাধ ! |
| ১৮০৩ | ছেঁড়া চুলে খোঁপা বাঁধা ( বা বিউনী গাঁথা) |
| ১৮০৪ | ছেঁড়া বস্তায় ( বা ধুকড়ীর ভিতর) খাসা চাল |
| ১৮০৫ | ছেঁড়ে কথা বলা |
| ১৮০৬ | ছেঁড়ে যাওয়া জুতোয় পা গলানো |
| ১৮০৭ | ছেঁড়ে দিয়ে ধরা |
| ১৮০৮ | ছেঁড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি |
| ১৮০৯ | ছোঁক ছোঁক করা |
| ১৮১০ | ছোট কাঁটাটি ফোটে পায়, তুলে ফেল নইলে দায় |
| ১৮১১ | ছোট নদির তরঙ্গ নাই তরঙ্গ দ্যাক খাড়ির, ভাল ম্যানষের ঠাট নাই ঠাট দ্যাক হাড়ির। |
| ১৮১২ | ছোট মুখে বড় কথা |
| ১৮১৩ | ছোট সরাটি ভেঙ্গে গেছে, বড় সরাটি আছে/ নাচো-কোদো কেন বউ, আমার হাতের আন্দাজ আছে |
| ১৮১৪ | ছোঁয়াচে রোগ |
| ১৮১৫ | ছ্যাদা ঘটি চোরা গাই, চোর পড়শী, ধূর্ত ভাই । মূর্খ ছেলে, স্ত্রী নষ্ট, এই কয়টি বড় কষ্ট |
| ১৮১৬ | ছ্যাড়্যা দিয়া ধ্যার্যা ধরা। |
| ১৮১৭ | ছুটির ঘণ্টা বাজানো |
| ১৮১৮ | ছ্যল যদি হয়, পাটা মোছা খ্যালেই হয়। |
| ১৮১৯ | ছ্যলডা বড়ই বোজে, এক জোনের কাছে ধার লিয়া আর এক জোনক সোজে। |
| ১৮২০ | ছল করে জল আনা |
| ১৮২১ | ছলের নাম পোয়াতীর কাম। |
| ১৮২২ | জংলা কক্ষনো পোষ মানে না |
| ১৮২৩ | জগাখিচুড়ি |
| ১৮২৪ | জগত জুড়ে জাল ফেলেছে, পালিয়ে বাঁচবি কোথা? |
| ১৮২৫ | জগতে ভাল কে , যার মনে লাগে যে |
| ১৮২৬ | জগদ্দল পাথর |
| ১৮২৭ | জগন্নাথে গেলে হাড়ীর ঝাঁটা খেলে |
| ১৮২৮ | জঙ্গলা কখনও পোষ মানে? সদা মন তার কেওড়া বনে |
| ১৮২৯ | জাগন্ত ঘরে চুরি নাই |
| ১৮৩০ | জাত গোয়ালা কাঁজি ভক্ষণ |
| ১৮৩১ | জাত ত বাক্সের ভিতর |
| ১৮৩২ | জাত ভাঁড়িয়ে কায়েত |
| ১৮৩৩ | জাত হারানো |
| ১৮৩৪ | জাতও গেল, পেটও ভরল না |
| ১৮৩৫ | জাতে ওঠা |
| ১৮৩৬ | জাতে মাতাল তালে ঠিক, জাত গেলে ছুটে এদিক বেদিক (নেত্রকোনা) |
| ১৮৩৭ | জাতের ঢাঁসা, বাঁশের ট্যারা। |
| ১৮৩৮ | জাতের পোলা আব্বা কয়, কুক্ষনের পোলা শালা কয় |
| ১৮৩৯ | জানিনে পারিনে নেইকো ঘরে/ এ তিন ওজরে দেবতা হারে |
| ১৮৪০ | জানিবে শমন ভয়, দুর্জনের আশ্রয় |
| ১৮৪১ | জানলেই ভয়, না জানলে নয় । |
| ১৮৪২ | জামা পাল্টানো |
| ১৮৪৩ | জামাইয়ের জন্য মারে হাস, গুষ্টি শুদ্ধ খায় মাস |
| ১৮৪৪ | জামার কোন খবর নাই, বোতাম নিয়া দৌড় পারে। |
| ১৮৪৫ | জামের খোসা ফেলে খাওয়া |
| ১৮৪৬ | জাল ছাড়ানো |
| ১৮৪৭ | জাল ছেঁড়া পলো ভাঙা (দুর্ধর্ষ লোক) |
| ১৮৪৮ | জাল ছেঁড়া পলো ভাজা |
| ১৮৪৯ | জাল ছড়ানো |
| ১৮৫০ | জাল রচনা করা |
| ১৮৫১ | জালিমে গোনাহ করে না বুইঝা আলিমে গোনাহ করে বুইঝা। |
| ১৮৫২ | জালমাছের পিটত কুঁজ, অ্যাটা-কচু দিয়া স্বাদ বোজ। |
| ১৮৫৩ | জাহাজের পাছে নজর |
| ১৮৫৪ | জাহাজের সঙ্গে জালি বোট |
| ১৮৫৫ | জায়গা চিনি বইয়ো, মানুষ চিনি কইয়ো। |
| ১৮৫৬ | জাঁয়ি-জরা চদ্য পুরুষের ঘোড়া। |
| ১৮৫৭ | জায়ের গু জায়ে খায়, নন্দের গু গড়াগড়ি যায়। |
| ১৮৫৮ | জিংক্যা জাতের সিংক্যা বোজে। |
| ১৮৫৯ | জিব পুড়ল আপ্ত দোষে, কি করবে আমার হরিহর দাসে |
| ১৮৬০ | জিব বার হওয়া |
| ১৮৬১ | জিবে জল আসা |
| ১৮৬২ | জিলিপের প্যাঁচ |
| ১৮৬৩ | জিয়ন্ত মাছে পোকা পড়ানো |
| ১৮৬৪ | জিয়ন্তে মরা |
| ১৮৬৫ | জীব দিয়েছেন যিনি/ আহার দেবেন তিনি |
| ১৮৬৬ | জীবে দাঁতে সম্বন্ধ |
| ১৮৬৭ | জীয়ন্তে দিলে না তুড়ি, ম'লে দেবে বেনাগাছ মুড়ি । |
| ১৮৬৮ | জেদের ভাত খাওয়া ভাল। |
| ১৮৬৯ | জেলের আগে গেলেও দোষ, জেলের পাছে গেলেও দোষ। |
| ১৮৭০ | জেলের পাছায় টোনা, নিকারির কানে সোনা |
| ১৮৭১ | জৈষ্ঠতে তারা ফুটে/ তবে জানবে বর্ষা বটে। |
| ১৮৭২ | জো পেলে জোলায় বোনে |
| ১৮৭৩ | জোঁকের গায়ে জোঁক লাগে না। |
| ১৮৭৪ | জোর যার মুল্লুক তার |
| ১৮৭৫ | জোড়া আর তালি, এই নিয়ে গৃহস্থালী। |
| ১৮৭৬ | জোড়া তালি দেওয়া |
| ১৮৭৭ | জোয়ার মাত্রেই ভাঁটা আছে |
| ১৮৭৮ | জোয়ারের জল কতক্ষণ |
| ১৮৭৯ | জোয়ারের পানি নারীর যৌবন |
| ১৮৮০ | জোয়ে জো ধরে। |
| ১৮৮১ | জ্ঞান দেওয়া |
| ১৮৮২ | জ্ঞান হীন উত্সাহ লাগাম ছেঁড়া ঘোড়ার মতো। |
| ১৮৮৩ | জ্ঞানই বল |
| ১৮৮৪ | জট খোলা |
| ১৮৮৫ | জুটি বাঁধা |
| ১৮৮৬ | জ্যৈষ্ঠে খরা, আষাঢ়ে ভরা/ শস্যের ভার সহে না ধরা। |
| ১৮৮৭ | জ্যোৎস্নাতে ফটিক ফোটে, চোরের মায়ের বুকটি ফাটে |
| ১৮৮৮ | জুতো কে পায়ের তলায় রাখতে হয় । |
| ১৮৮৯ | জুতো মারা |
| ১৮৯০ | জুতো মেরে গরু দান |
| ১৮৯১ | জুতো মেরেছে, অপমান ত করে নি |
| ১৮৯২ | জুতো সেলাই থেকে চন্ডী পাঠ । |
| ১৮৯৩ | জন, জামাই ভাগনা তিন নয় আপনা |
| ১৮৯৪ | জন্ম গেল ছেলে খেয়ে, আজ বলে ডাইন |
| ১৮৯৫ | জনম গ্যাল কচু খেতে, গাও চুলকায় আউশের ভাতে। |
| ১৮৯৬ | জনম দুখিনী সীতা / নাই পিতা নাই মাতা |
| ১৮৯৭ | জন্ম মৃত্যু বিয়ে, তিন বিধাতা নিয়ে |
| ১৮৯৮ | জন্ম হোক যথা তথা, কর্ম হোক ভালো |
| ১৮৯৯ | জন্মে দেখেনি লহার মুখ, কোদালকে বলে গুনছুঁচ |
| ১৯০০ | জন্মের মধ্যে কর্ম নিমুর ( বা নিমাইয়ের) চৈত্র মাসে রাস। |
| ১৯০১ | জন্মের শোধ |
| ১৯০২ | জপ নেই তপ নেই, ভস্ম মাখা গায় |
| ১৯০৩ | জপের সঙ্গে খোঁজ নেই, ফটিকে রাঙ্গা থোপ |
| ১৯০৪ | জপতপ কর কি, মরতে জানলে হয়। |
| ১৯০৫ | জ্বালা দিতে নাই ঠাই, জ্বালা দেয় সতীনের ভাই |
| ১৯০৬ | জ্বরে বউ ন্যাঙটা হচে, সেই থ্যাক্যা অব্যাস হচে। |
| ১৯০৭ | জমি (বা ভূই) অভাবে উঠোন চষা |
| ১৯০৮ | জমি আলার সাঁতে হাতী আলা পারে না। |
| ১৯০৯ | জমি কর ক্যান্দর আর বউ কর বান্দর। |
| ১৯১০ | জমি রক্ষা করা |
| ১৯১১ | জমির মদ্যে লালী আর কুটুমের মদ্যে শালী। |
| ১৯১২ | জল অনেক দূর গড়ানো |
| ১৯১৩ | জল এগোয় না তৃষ্ণা এগোয় |
| ১৯১৪ | জল খেয়ে জাতি জিজ্ঞাসা করা |
| ১৯১৫ | জল খেয়ে জলের বিচার |
| ১৯১৬ | জল গড়ানো |
| ১৯১৭ | জল ঘোলা করে মাছ ধরা |
| ১৯১৮ | জল ঘোলা হওয়া |
| ১৯১৯ | জল জল বৃষ্টির জল, বল বল বাহুবল |
| ১৯২০ | জল ঢেলে দেওয়া |
| ১৯২১ | জল দিয়ে জল বার করা |
| ১৯২২ | জল নেড়ে জোকের বল বুঝা |
| ১৯২৩ | জল ভাত |
| ১৯২৪ | জল মেপে পা ফেলা |
| ১৯২৫ | জল, জোলাপ জুয়াচুরি, তিন নিয়ে ডাক্তারি |
| ১৯২৬ | জলা জমিতে জল জমে |
| ১৯২৭ | জলে কুমীর ডাঙায় বাঘ |
| ১৯২৮ | জলে জল মিশে যায় |
| ১৯২৯ | জলে যাওয়া |
| ১৯৩০ | জলে তেলে মিশ খায় না |
| ১৯৩১ | জলে পাথর পচে না |
| ১৯৩২ | জলে পড়া |
| ১৯৩৩ | জলে ফেলা |
| ১৯৩৪ | জলে বাস করে কুমীরের সাথে বিবাদ |
| ১৯৩৫ | জলের আলপনা |
| ১৯৩৬ | জলের কুমীর ডাঙায় এলো |
| ১৯৩৭ | জলের গতি নীচের দিকে |
| ১৯৩৮ | জলের ছিটে দিয়ে লগির গুঁতো খাওয়া |
| ১৯৩৯ | জলের তিলক |
| ১৯৪০ | জলের দাগ |
| ১৯৪১ | জলের দাঁত বেরুনো |
| ১৯৪২ | জলের দাম |
| ১৯৪৩ | জলের রেখা খলের পিরীত |
| ১৯৪৪ | জলের শত্রু পানা, মানুষের শত্রু কানা |
| ১৯৪৫ | জড় ভরত |
| ১৯৪৬ | জয়কেতে |
| ১৯৪৭ | জুয়াচোরের বাড়ি ফলার, না আঁচালে বিশ্বাস নেই |
| ১৯৪৮ | জুয়া-পাশা-তাস, এই তিনে সর্বনাশ। |
| ১৯৪৯ | জয়ের কালে ক্ষয় নাই, মরার কালে ওষুধ নাই |
| ১৯৫০ | ঝকমারির মাসুল |
| ১৯৫১ | ঝাঙড়ে ঝাঙড়ে ম্যাট্যাল কাদ। |
| ১৯৫২ | ঝাঁজর কয় সুঁই রে, তোর গোয়া ক্যান ফুটা? |
| ১৯৫৩ | ঝাঁটা দিয়ে বিষ ঝাঁড়া |
| ১৯৫৪ | ঝাল ঝাড়া |
| ১৯৫৫ | ঝাল দেখেছ, না কড়ি দেখেছ |
| ১৯৫৬ | ঝালে ঝোলে অম্বলে |
| ১৯৫৭ | ঝাল-ভাত খাওয়া |
| ১৯৫৮ | ঝাড়ে মূলে |
| ১৯৫৯ | ঝাড়ের দোষ |
| ১৯৬০ | ঝাড়ের বাঁশ পড়ে না |
| ১৯৬১ | ঝি জব্দ কিলে, বউ জব্দ শিলে, পাড়াপড়শি জব্দ হয় চোখে আঙুল দিলে |
| ১৯৬২ | ঝিকে মেরে বউকে শেখানো |
| ১৯৬৩ | ঝি-র ঝি করবে কি |
| ১৯৬৪ | ঝেড়ে কাশা |
| ১৯৬৫ | ঝোপ বুঝে কোপ মারা । |
| ১৯৬৬ | ঝোলা থেকে বেড়াল বার করা |
| ১৯৬৭ | ঝোলে অম্বলে এক করা |
| ১৯৬৮ | ঝোলে ঝালে অম্বলে, সব ঠায় বেগুণ চলে |
| ১৯৬৯ | ঝড় তোলা |
| ১৯৭০ | ঝড়ে কলাগাছ পড়ে, ফকিরের কেরামতি বাড়ে । |
| ১৯৭১ | ঝড়ে বক পড়ে, ফকিরের ক্যারামতি বাড়ে। |
| ১৯৭২ | ঝড়ের মুখে দাঁড়ানো |
| ১৯৭৩ | ঝড়ের সময় সবাই ধার্মিক। |
| ১৯৭৪ | ঝড়ো কাক |
| ১৯৭৫ | টক ঘোল, তার ছেঁদা মালা |
| ১৯৭৬ | টক টসো আঁটিসারা, শস্য শূন্য আঁশ ভরা, এই আম বিলাবার ধারা |
| ১৯৭৭ | যক দেওয়া |
| ১৯৭৮ | টকের জ্বালায় দেশ ছাড়লাম, তেঁতুল তলায় বাস |
| ১৯৭৯ | যক্ষের (যখের) চোখে ঘুম নাই |
| ১৯৮০ | যক্ষের (যখের) ধন |
| ১৯৮১ | যখন আদর জুটে, ফুটকলাই দিয়ে ফুটে; যখন আদর টুটে, ঢেঁকি দিয়ে কুটে |
| ১৯৮২ | যখন কপাল মন্দ হয়, বন্ধুলোকে মন্দ কয় |
| ১৯৮৩ | যখন যার কপাল ধরে, শুকনো ডাঙায় ডিঙি সরে |
| ১৯৮৪ | যখন যার কপাল বাঁকে, দূর্বাবনে বাঘ থাকে |
| ১৯৮৫ | যখন যার তখন তার |
| ১৯৮৬ | যখন যার পড়তা হয়, ধুলামুঠা ধরে সোনামুঠা হয় |
| ১৯৮৭ | যখন যার পড়তা হয়, ধুলো ধরলেই সোনা হয় |
| ১৯৮৮ | যখন যেমন, তখন তেমন |
| ১৯৮৯ | যখন তখন করে পাপ, সময় বুঝে ফলে শাপ |
| ১৯৯০ | যখন বিধি মাপায়, তখন উপরি উপরিই চাপায় |
| ১৯৯১ | যখনকার যা তখনকার তা |
| ১৯৯২ | যুগীর গানে ভণিতা কি? |
| ১৯৯৩ | যুগরে খাইছে ভূতে/ বাপরে মারে পুতে। |
| ১৯৯৪ | যা কাছে পাই চিবিয়ে গিলি, জুতো থেকে পানের খিলি |
| ১৯৯৫ | যা করিবে বান্দা তা-ই পাইবে।/ সুই চুরি করিলে কুড়াল হারাইবে। |
| ১৯৯৬ | যা ছিল আমানি পান্তা মায়ে ঝিয়ে খেনু, ঘরজামাই রামের তরে ধান শুকাতে দিনু |
| ১৯৯৭ | যা জানে, যাতা জানে, যে পিষে সেই জানে |
| ১৯৯৮ | যা নাই ভারতে, তা নাই ভারতে |
| ১৯৯৯ | যা নাইকো দেশে পেতে, তাই চায় ছেলের খেতে |
| ২০০০ | যা নেই ভারতে, তা নেই ভারতে |
Monday, 11 January 2016
বাংলা প্রবাদ, প্রবচন ও বাগধারা - ২
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
প্রবাদ, প্রবচন, বাগধারা, যেটাই হোক, সবগুলোর অর্থ অথবা কোন ক্ষেত্রে বব্যবিহার হয়, দেয়া থাকলে ভাল হতো... অর্থ ছাড়া খুব বেশি লাভবান হওয়া যাবে না...
ReplyDeleteRight
ReplyDelete